স্থানীয় ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সংচাইল এলাকার ওই পাম্পটিতে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও সাধারণ মানুষ তেল পাচ্ছেন না। অভিযোগ উঠেছে, পাম্প কর্তৃপক্ষের যোগসাজশে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ও উশৃঙ্খল যুবক সিরিয়াল অমান্য করে জোরপূর্বক আগে তেল নিয়ে যাচ্ছে। সাধারণ গ্রাহকরা প্রতিবাদ করলে তাদের সাথে অসদাচরণ করা হয়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে অপেক্ষমাণ সাধারণ মোটরসাইকেল ও গাড়ি চালকদের মাঝে এ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
একজন ভুক্তভোগী আক্ষেপ করে বলেন, “আমরা নিয়ম মেনে রোদের মধ্যে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকি, কিন্তু কিছু ছেলে এসে কোনো নিয়ম ছাড়াই আগে তেল নিয়ে চলে যায়। পাম্পের লোকজনও তাদেরই সুযোগ করে দেয়। এখানে কোনো শৃঙ্খলা নেই।” পাম্পের এই অব্যবস্থাপনা ও অনিয়মের তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে কর্তব্যরত এক সাংবাদিককে বাধা প্রদান ও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার সময় পাম্পের ভেতরে থাকা ওই প্রভাবশালী চক্রটি সংবাদকর্মীর ওপর চড়াও হয় এবং তাকে পেশাগত কাজে বাধা দেয়।
এই ঘটনায় স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। সাংবাদিকরা একে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ এবং নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে দেখছেন। সংচাইল এলাকার সচেতন নাগরিক ও ভুক্তভোগী গ্রাহকরা এই পাম্পের লাইসেন্স অনুযায়ী সুষ্ঠু বিতরণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা অবিলম্বে তেল বিতরণে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা, সিরিয়াল ভঙ্গকারী প্রভাবশালীদের দমন এবং লাঞ্ছিত সাংবাদিকের নিরাপত্তার স্বার্থে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে পাম্প কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পক্ষ থেকে কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দ্রুত সুদৃষ্টি কামনা করছেন।
এবিডি.কম/ শিরিনা